আজ ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

যেসব সূরা পড়ে শেষ হবে খতমে তারাবি

অনলাইন ডেস্কঃ আজ ২৭তম তারাবি। সূরা নাবা থেকে শুরু করে সূরা নাস পর্যন্ত পড়া হবে। পারা হিসেবে আজ পড়া হবে ৩০তম পারা। আজকের তারাবির মাধ্যমেই শেষ হবে কাঙ্ক্ষিত খতম তারাবির।

পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিত অংশের মূলবিষয়বস্তু তুলে ধরা হল।

৭৮. সূরা নাবা : ১-৪০

সূরা নাবা নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৪০। রুকু সংখ্যা ২।

প্রথম ও দ্বিতীয় রুকু, ১ থেকে ৪০ নম্বর আয়াত। কেয়ামতের বিষয় নিয়ে অবিশ্বাসীরা তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত, কিন্তু কেয়ামত হবেই। তখন সবাই সত্য জানতে পারবে। সেদিন অবিশ্বাসীদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আজাব। আর বিশ্বাসীদের জন্য রয়েছে চিরসুখের আবাস জান্নাত। সেদিন কাফেররা লজ্জা-ভয় ও অপমানে চাইবে মাটি যেন তাদেরকে গ্রাস করে নেয়- তারপরও যেন বিচারের সম্মুখীন হওয়া থেকে তারা বেচে যায়।

৭৯. সূরা নাজিআত : ১-৪৬

সূরা নাজিআত নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৪৬। রুকু সংখ্যা ২।

প্রথম ও দ্বিতীয় রুকু, ১ থেকে ৪৬ নম্বর আয়াত। কেয়ামত নিয়ে যতই বিতর্ক হোক না কেন, খুব ভালো করে জেনে রাখো- কেয়ামত হবেই। সে দিন অনেক হৃদয় ভয়-বিহ্বল হয়ে থাকবে। মুসা ও ফেরাউনের ঘটনা এখানে ঈষৎ বিস্তারিত বলা হয়েছে। কারন, এ ঘটনায় কেয়ামত বিশ্বাসীদের জন্য বড় শিক্ষা রয়েছে। যারা বিশ্বাসী তাদের জন্য কেয়ামতের প্রস্তুতি নিতে হবে। তাদের জন্য রয়েছে মনোমুগ্ধকর জান্নাত।

৮০. সূরা আবাসা : ১-৪২

সূরা আবাসা নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৪২। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৪২ নম্বর আয়াত। রাসুল (সা.)-কে দাওয়াতের পদ্ধতি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সূরার শুরু হয়েছে। তারপর আল্লাহ বান্দাকে তার নেয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে পরকালের জিন্দেগীর প্রতি ইমানের আহ্বান করেছেন। যারা এ আহ্বানে সাড়া না দিবে সে দিন তারা কত অসহায় হবে সে বর্ণনা দিয়ে সূরা শেষ করা হয়েছে।

৮১. তাকভির : ১-২৯

সূরা তাকভির নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ২৯। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ২৯ নম্বর আয়াত। সূরা শুরু হয়েছে কেয়ামতের ভয়াবহতা উল্লেখ করে। তারপর বিভিন্ন কসম করে রাসুল (সা.) এর উচ্চ মর্যাদা বর্ণনা করা হয়েছে। রাসুল (সা.) এর বিরুদ্ধে কাফেররা যে ধরণের অভিযোগ করেছে তা বলিষ্ঠভাবে খণ্ডন করেছে কোরআন। তারপর কোরআনের মাহাত্ম্য বর্ণনা করে শেষ হয়েছে এ সূরা।

৮২. ইনফিতার : ১-১৯

সূরা ইনফিতার নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ১৯। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ১৯ নম্বর আয়াত। এ সূরার প্রারম্ভিক আলোচনা আগের সূরার কাছাকাছি। কেয়ামতের ভয়াবহতা। শেষের দিকে মানুষকে সাবধান ও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। তার সব আমল দুই ফেরেশতা লিখে রাখছে, সংরক্ষণ করছে। তাই বেপরোয়া জীবনযাপন করা কোনভাবেই সঙ্গত নয়।

৮৩. মুতাফফিফিন : ১-৩৬

সূরা মুতাফফিফিন নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৩৬। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৩৬ নম্বর আয়াত। পাপীদের আলোচনা দিয়ে সূরা শুরু হয়েছে। তাদের পরকালীন জীবন সম্পর্কে আলোচনা করে নেককার মানুষের সুখকর আখেরাতের জিন্দেগী আলোচনার মাধ্যমে সূরার সমাপ্ত করা হয়েছে।

৮৪. সূরা ইনশিকাক : ১-২৫

সূরা ইনশিকাক নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ২৫। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ২৫ নম্বর আয়াত। পরকালে পুনরুত্থানের বিষয়ে শক্তিশালী যুক্তি রয়েছে এ সূরায়। তখন যাদের আমল ডান হাতে দেওয়া হবে তারা হবে মহা সৌভাগ্যবান। আর যাদের আমলনামা বাম হাতে আসবে তাদের মত ভাগ্যহত আর কেউই হবে না। এ কথাটিই সূরার মূলপ্রতিপাদ্য।

৮৫. সূরা বুরুজ : ১-২২

সূরা বুরুজ নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৩৬। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ২২ নম্বর আয়াত। এ সূরায় একটি ঐতিহাসিক ঘটনার বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে। একদল মোমিনকে ইমান আনার অপরাধে আগুনের গর্তে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। যুগে যুগে এভাবেই ইমানের অপরাধে মোমিনদের নির্যাতিত হতে হবে। তবে যখন আল্লাহ তায়ালা অপরাধীদের ধরবেন, তখন শক্ত করেই ধরবেন। সূরা শেষ হয়েছে কোরআনের বড়ত্বের বর্ণনা দিয়ে।

৮৬. সূলা তারিক : ১-১৭

সূরা তারিক নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ১৭। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ১৭ নম্বর আয়াত। মানুষের ওপর আল্লাহ তায়ালার যত অগণিত নেয়ামত আছে- তার মধ্যে মৌলিক নেয়ামতের একটি হল তার সৃষ্টি প্রক্রিয়া। সে কথা এখানে বলে মানুষকে আল্লাহমুখী করার চেষ্টা করা হয়েছে। আরো কতিপয় নেয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে সূরার শুরু ও শেষ অংশে।

৮৭. সূরা আ’লা : ১১-১৯

সূরা আ’লা নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ১৯। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ১৯ নম্বর আয়াত। পুরো সূরাটিই রাসুল (সা.)কে দেয়া বিভিন্ন উপদেশ ও নির্দেশে পূর্ণ। এসব উপদেশ নতুন কোন কিছু নয়। পূর্ববর্তী নবী হজরত ইবারাহিম (আ.) এবং মুসা (আ.) এর সহিফায়ও একই কথা বলা হয়েছে। তাই শেষ নবী ও তার উম্মতকে এসব উপদেশ শক্তভাবে আঁকড়ে ধরতে হবে।

৮৮. সূরা গাশিয়াহ : ১-২৬

সূরা গাশিয়াহ নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ২৬। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ২৬ নম্বর আয়াত। এ সূরার মূল প্রতিপাদ্য কেয়ামতের দিন পাপী ও নেকলোকদের অবস্থা কেমন হবে তার বর্ণনা দেওয়া। হিসাবের সময় পাপীদের চেহারা দেখতে কেমন হবে, নেককারদের চেহারাই বা কেমন হবে- সে কথাও বলা হয়েছে নিখুঁতভাবে। তারপর বলা হয়েছে কার আবাস কোথায়? এর স্বপক্ষে যুক্তিও তুলে ধরেছে কোরআন।

৮৯. সূরা ফজর : ১-৩০

সূরা ফজর নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৩০। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৩০ নম্বর আয়াত। এ সূরার বিভিন্ন বিষয়ের কসম খেয়ে বলা হয়েছে মানুষের প্রকৃতি খুবই নীচ এবং হীন ধরণের। তাদের চিন্তা-চেতনা উন্নত নয়। বরং তাদের সামাজিক অবস্থাও সৌহার্দপূর্ণ নয়। তবে যারা আল্লাহতে বিশ্বাস করে তাদের কথা ভিন্ন। আর এ ধরণের বান্দাকেই আল্লাহ পরম যত্মের সঙ্গে শান্তিময় আবাসের দিকে ডেকে ডেকে মোহময় দুনিয়া থেকে তুলে নেবেন।

৯০. সূরা বালাদ : ১-২০

সূরা বালাদ নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ২০। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ২০ নম্বর আয়াত। এ সূরাটি মানুষের জন্য একটি উপদেশমূলক অধ্যায়। পুরো সূরাটিই মানুষের জন্য উপদেশ দেওয়া হয়েছে। কীভাবে সে তার ধর্ম জীবনকে উন্নত ও সুন্দর করবে- এ বিষয়ে।

৯১. সূরা শামস : ১-১৫

সূরা শামস নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ১৫। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ১৫ নম্বর আয়াত। এ সূরাটিও মানুষের ধর্মজীবনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। একজন মানুষ আত্মশুদ্ধির মাধ্যমেই ধর্ম জীবনকে সুন্দর করতে পারে। আর আত্মশুদ্ধি না থাকলে তার কোন কাজই সুন্দর ও সৎ হবে না- এটিই এ সূরার মূল বার্তা।

৯২. সূরা লাইল : ১-২১

সূরা লাইল নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ২১। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ২১ নম্বর আয়াত। মানুষের বৈষয়িক এবং পরকালীন জীবনে উন্নতির শিখরে আরোহনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দেওয়া হয়েছে এ সূরায়। তবে আখেরাতের বিষয়টিই প্রাধান্য দিয়ে সূরার আলোচনা সমাপ্তির দিকে এগিয়েছে।

৯৩. সূরা দোহা : ১-১১ এবং ৯৪. সূরা ইনশিরাহ : ১-৮

সূরা দোহা এবং ইনশিরাহ নাজিল হয়েছে মক্কায়। দোহার আয়াত সংখ্যা ১১ এবং ইনশিরাহর আয়াত সংখ্যা ৮। উভয় সূরার রুকু সংখ্যা ১টি করে।

এ দুটি সূরার প্রতিপাদ্য এক। তবে বর্ণনাভঙ্গি আলাদা। দোহায় কাফেরদের অভিযোগের বিপরীতে আল্লাহ তায়ালা রাসুল (সা.) এর শান-মান বর্ণনা করেছেন এবং অনুগ্রহের কথা আলোচনা করেছেন। আর ইনশিরায় আল্লাহ নিজেই রাসুল (সা.) এর মানসিক শক্তিকে বাড়ানোর জন্য নবীজীর শান-মান আলোচনা করেছেন।

৯৫. সূরা তীন : ১-৮

সূরা তীন নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৮। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৮ নম্বর আয়াত। এ সূরার মূল বিষয় আখেরাতের প্রতি মানুষের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করা। এর স্বপক্ষে সংক্ষেপে কিছু যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে যা প্রতিটি মানুষের মাঝে বিদ্যমান। যেন মানুষ এ সব দেখেই আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী হতে পারে।

৯৬. সূরা আলাক : ১-১৯

সূরা আলাক নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ১৯। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ১৯ নম্বর আয়াত। জ্ঞানের তাৎপর্য তুলে ধরে শুরু হয়েছে এ সূরা। মূর্খ কখনোই তার প্রভুকে চিনতে পারে না। এ ব্যক্তির আচরণ কত নিকৃষ্ট এবং শাস্তি কত কঠিন তা বলা হয়েছে এ সূরায়।

৯৭. সূরা কদর : ১-৫

সূরা কদর নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৫। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৫ নম্বর আয়াত। পত্রি কোরআন নাজিল হয়েছে কদরের রাতে। এ রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ রাতে ফেরেশতা নাজিল হয় শান্তিসহ ফজর পর্যন্ত।

৯৮. সূরা বাইয়েনাহ : ১-৮

সূরা বাইয়েনাহ নাজিল হয়েছে মদীনায়। আয়াত সংখ্যা ৮। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৮ নম্বর আয়াত। আহলে কিতাবদের বিষয়ে এ সূরায় আলোচনা করা হয়েছে। আহলে কিতাবদের সবাই জানতো আল্লাহর রাসুল (সা.) এর সম্পর্কে। কিন্তু, যখনই নবীজী (সা.) আত্মপ্রকাশ করলেন, তখনই তারা দুইটা দলে ভাগ হয়ে গেলেন। বড় একটি দল রাসুল (সা.) এর নবুয়তকে অস্বীকার করল। তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আজাব। আর যারা নবীজীর দাওয়াত মেনে সত্যের জীবনযাপন করেছে, তাদের জন্য রয়েছে মনোহর নেয়ামত জান্নাতুল ফেরদৌস।

৯৯. সূরা জিলজাল : ১-৮

১০০. সূরা আদিয়াত : ১-১১

১০১. সূরা কারিয়া : ১-১১

এবং সূরা তাকাসুর ১০২ : ১-৮এ চার সূরার প্রথমটি নাজিল হয়েছে মদীনায়। আর বাকী তিনটি মক্কায়। চারটি সূরার রুকু ১টি করে।

এ চারটি সূরার আলোচ্য বিষয় এক ও অভিন্ন। পরকাল, কেয়ামত ও করব। এ তিনটি বিষয়ই ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে এ চারটি সূরায় আলোচিত হয়েছে।

১০৩. সূরা আসর : ১-৩

সূরা আসর নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৩। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৩ নম্বর আয়াত। সময়ের তাৎপর্য আলোচনা করে ইমান, সৎকাজ, দাওয়াত এবং ধৈর্যের তাৎপর্য সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে।

১০৪. সূরা হুমাজাহ : ১-৯

সূরা হুমাজাহ নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৯। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৯ নম্বর আয়াত। মানুষের কিছু নৈতিক দোষের কথা বলা হয়েছে সূরার শুরুতে। এর শাস্তি বলে সূরা শেষ করা হয়েছে।

১০৫. সূরা ফিল : ১-৫

সূরা ফিল নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৫। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৫ নম্বর আয়াত। কাবা ঘরকে ধ্বংস করতে আসা বাহিনীকে আল্লাহ কীভাবে গুড়িয়ে দিয়েছেন সে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এ সূরায়।

১০৬. সূরা কোরাইশ : ১-৪

সূরা কোরাইশ নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৪। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৪ নম্বর আয়াত। কোরাইশ সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপর বলা হয়েছে এ কাবা ঘরের মালিকের ইবাদত কর। তবেই শান্তি ও মুক্তি মিলবে।

১০৭. সূরা মাউন : ১-৭

সূরা মাউন নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৭। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৭ নম্বর আয়াত। এ সূরায় বিশ্বাসী এবং অবিশ্বাসীর জীবনযাত্রা ও চিন্তায় কত বড় এবং সূক্ষপার্থক্য হতে পারে তা উদাহরণসহ বলে দেওয়া হয়েছে।

১০৮. সূরা কাউসার : ১-৩

সূরা কাউসার নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৩। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৩ নম্বর আয়াত। এ সূরাটি রাসুল (সা.) এর জন্য শান্তনা ও পুরুস্কারের ঘোষণার সূরা। এখানে আল্লাহ তায়ালা রাসুল (সা.)কে কাফেরদের যন্ত্রণায় বিনিময়ে শান্তনার পরশ দিয়েছেন। দিয়েছেন সর্বশ্রেষ্ঠ পুরুস্কারও।

১০৯. সূরা কাফিরুন : ১-৬

সূরা কাফিরুন নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৬। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৬ নম্বর আয়াত। এ সূরায় কাফেরদের সঙ্গে মুসলমানদের কোন প্রকার আপোষ হতে পারে না- একথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। তারা তাদের ধর্ম পালন করবে, আমরা আমাদের ধর্ম পালন করব। এ নিয়ে কোন ধরণের আপোস-বিরোধের সুযোগ নেই।

১১০. সূরা নাসর : ১-৩

সূরা নাসর নাজিল হয়েছে মদিনায়। আয়াত সংখ্যা ৩। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৩ নম্বর আয়াত। ইসলামের বিজয় এবং বিজয়ের সময় নবী (সা.) এবং মোমিন বাহিনীর করণীয় সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।

১১১. সূরা লাহাব : ১-৫

সূরা লাহাব নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৫। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৫ নম্বর আয়াত। ইসলামের ঘোরতম দুশমনের পরিচয়, তার শাস্তি কেমন- তা জলজ্যান্ত প্রমাণসহ আলোচনা করা হয়েছে সূরা লাহাবে।

১১২. সূরা ইখলাস : ১-৩

সূরা কাফিরুন নাজিল হয়েছে মক্কায়। আয়াত সংখ্যা ৩। রুকু সংখ্যা ১।

প্রথম রুকু, ১ থেকে ৩ নম্বর আয়াত। আল্লাহর পরিচয় বিস্তারিত বলা হয়েছে ছোট্ট এই সূরাটিতে।

১১৩. সূরা ফালাক : ১-৫ এবং সূরা নাস ১-৬

এ দুটি সূরা নাজিল হয়েছে মাদীনায়। এদের রুকু সংখ্যা ১টি। এ দুই সূরা তেলাওয়াতের মাধ্যমেই শেষ হবে আজকের এবং এ বছরের খতম তারাবি।

এ দুটি সূরা আল্লাহর সঙ্গে বান্দার গভীর প্রেম ও সম্পর্কের প্রকাশ পেয়েছে। দুনিয়ার যত অকল্যাণ, বান্দা শুধু আল্লাহর কাছেই তার পানাহ চাইবে। তবেই আল্লাহপাক নিজ কুদরতে তাকে রক্ষা করবেন। যেমন রক্ষা করেছেন আমাদের প্রিয়নবী (সা.)সহ সব নেকবান্দাদের।

মহান আল্লাহ আমাদের সিয়াম-কিয়াম, তারাবি-খতম সব কবুল করে নিন। আমাদের গোনাহমুক্ত মাসুম হিসেবে কবুল করে নিন। আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর
%d bloggers like this: