October 16, 2019, 12:35 am

রাজপথেই রক্ত দিবেন, শপথ নিলেন রাজশাহীর নেতাকর্মীরা

অনলাইন ডেস্কঃ দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র উদ্ধারে আর কোনও কর্মসূচি নয় এখন থেকে রাজপথের কঠোর কর্মসূচি পান নেতাকর্মীরা। সেই কর্মসূচি ‘রক্ত দিয়ে’ অধিকার আদায় করবেন বলে শপথ নিয়েছেন।

রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজশাহীর মাদরাসা মাঠের পাশের রাস্তায় অনুষ্ঠিত বিএনপির সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে নানা বাধা পেরিয়ে নেতাকর্মীদের ঢল নামে।

বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘রাজশাহীর মাটি ৫২ সালের ভাষা আন্দোলন উচ্চভূমি। ৬৯, ৭১’র উচ্চভূমি এই রাজশাহীর মাটি। বাংলাদেশ আমাদের মা, এই মায়ের প্রতিক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, সেই খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন আর কোনও দাবি নয়, আমাদেরকে এখন রাজপথে রক্ত দিতে হবে। সেটা এই রাজশাহী থেকেই শুরু হবে।’

এসময় মিনু বলেন, রাজপথে রক্ত দিতে কে কে রাজি আসেন? এসময় নেতাকর্মীরা দুই হাত উচিয়ে সম্পতি জানান। স্লোগানে স্লোগানে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থল উত্তাল করে তোলেন।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, ‘অবৈধ সরকারের পতন চাইলে বেগম খালেদা জিয়াকে শেখ হাসিনার কারাগার থেকে মুক্ত করতে হবে। আজকের এই সমাবেশ প্রমাণ করে যতোই বাধা আসুক, যতোই বাস-ট্রাক বন্ধ করুক, রাস্তা-ঘাট বন্ধ করুক, জনগণ আন্দোলনের প্রস্তুত। আমাদের আজকের শপথ এই দুর্নীতিবাজ সরকারের পতন ও বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করার।’

বিএনপির আরেক সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, ‘বিএনপি’র সমাবেশে রাজশাহীর বাইরে থেকে নেতাকর্মীদের আসতে বাধা দিতে রাস্তাঘাট বন্ধ করেছে সরকার। রাস্তা অবরোধ করে বিএনপি’র আন্দোলন রুখতে পারবে না।’

সমাবেশকে ঘিরে আড়াই হাজার নেতাকর্মীকে থানায় আটকে রাখার অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এই আন্দোলনে আজকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার নেতৃবৃন্দদের গ্রেফতার করা হয়েছে। আমার সামনেই নাটোরের কাউন্সিলর, মেয়রকে গ্রেফতার করেছে। গত তিন দিনে প্রায় শত শত নেতাকর্মীকে বিনা কারণে বাড়ি থেকে আটক করে নিয়ে গেছে পুলিশ। আমাদের ত্যাগী নেতাদের আটকে রেখে আমাদের হুশিয়ারী দিতে পারবে না।

বিএনপি চেয়ারপারসন জিয়ার মুক্তি দাবিতে রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হোসেন মাহমুদ টুকু প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরো সংবাদ
%d bloggers like this: