October 15, 2019, 11:35 pm

আর কত মায়ের কান্নায় ভিজবে হাইওয়ে সড়ক

কামরুল ইসলামঃ সকাল ১০ঘটিকার সময় চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কে আজিজনগর কলাতলী এলাকায় কভার ভেন ও নছিমুন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয় এক শিশু। অপরদিকে জুমাবার রাতে আমিরাবাদ রাজঘাটা এলাকায় তদরুপ মোটর সাইকেল ও নছিমুন মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয় আড়াই বৎসরের এক শিশু। প্রতিনিয়ত এধরণের দূর্গটনা ঘটে চলেছে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার হাইওয়ে সড়কে। যার দায়িত্ব রয়েছে দোহাজারী হাইওয়ে, সাতকানিয়ার ট্রাফিক পুলিশ, লোহাগাড়া ট্রাফিক পুলিশ, চকরিয়া হাইওয়ে পুলিশ অথচ তাদের সামনে কোন কাগজ পত্র ছাড়া ঝড়ের বেগে চলছে নছিমুন-করিমুন সহ অসংখ্যা অবৈধ গাড়ি। তার কারণ কি তদন্ত করে দেখা দরকার হলেও দেখছেনা এই সমস্ত পুলিশদের উপরস্থ কর্মকর্তারা। কিছু পূর্বে লোহাগাড়ায় সি. এন. জি মাহিন্দ্রা বন্ধ হলেও বন্ধ হচ্ছে না আটো রিক্সা । দিন রাত অসংখ্য অটো রিক্সার জ্যাম হাইওয়ে সড়কের উপর।

এই বিষয়ে টিআই এডমিন নজরুল সাহেবের নিকট তার কারণ কী জানতে চাইলে তিনি কোন সঠিক উত্তর দিতে না পারে মোবাইল ফোনটি বন্ধ করেন। অন্যেিক আরো জানা যায় এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারাও মুখ খুলতে রাজি নয় তাদের ব্যার্থতার কথা। দোহাজারী হাইওয়ে পুলিসের ওসি আহসান হাবিবের নিকট জানতে চাইলে তিনি শুধু বলেন আমি টোকেন বানিজ্য করি না। কিন্তু এই সমস্ত গাড়িগুলো চলে কেমনে তার জবাব জানতে চাইলে তিনি কোন সঠিক উত্তর দেয়নি। আর অন্যদিকে সাধারণ মানুষ মনে করেন এ দায় কোনভাবে এড়াতে পারে না হাইওয়ে পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ। সাধারণ মানুষ মনে করেন মহাসড়কে নিষিদ্ধ পরিবহনগুলি প্রশাসনের নাকের ডগায় দাপটের সাথে কেমনে চলে।

এ বিষয়ে একজন নছিমন গাড়ির ড্রাইবার নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক। তিনি আমরা টোকেন নিয়ে হাইওয়ে সড়কের উপর ষ্টেশন করে গাড়ি চালাই। পেঠের দায়ে। অথচ তারপরও মাঝে মধ্যে জাকটা বাজের মত ট্রাফিক পুুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ আমাদের উপর ঝাটকা মেরে ৮/৬ হাজার টাকার মত নিয়ে। কোন মামলার কাগজ দূরের কথা একটা কলার পাতাও আমাদেরকেও দেয় না। যা দিয়ে আমরা মালিক পক্ষকে বুঝ দিতে পারি। এত নির্যাকনের পরেও আমাদেরকেও গাড়ি চালাতে হয়। আরো বলেন প্রশাসন টোকেন বাণিজ্য বন্ধ করে সি.এন.জি, অটো রিক্সা, নসিমুন, করিমুন এবং লেবুনা মহাসড়কে নিষিদ্ধ পরিবহনগুলি চালাতে না পারলে নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নে সুবিধা হত এবং আমরাও চালানো বন্ধ করি দিতাম। অথচ তা না করে টাকার বিনিয়মে আইনকে গাইন করে আমাদের উপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরো সংবাদ
%d bloggers like this: