শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন

আপডেট :
সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে- জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "দৈনিক দেশকন্ঠ" পত্রিকায় কিছু সংখ্যক সৎ, সাহসী নতুন তরুণ-তরুণীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা CV: info.deshkantho@gmail.com পাঠিয়ে যোগাযোগ করুন। মোবাঃ ০১৭৯৩৮৫৫০৬১★★★
শিরোনামঃ
চাঁদপুরে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন: ৪ বখাটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কেশবপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সন্ত্রাসী হামলা, ২ গৃহবধূ আহত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে শক্ত অবস্থানে যাবে বাংলাদেশ নওগাঁয় আত্রাইয়ে শ্রী কৃঞ্চের জন্মষ্টমী উদযাপন আত্রাইয়ে ট্রেনের ৬৫০ লিটার ডিজেলসহ আটক ৩ ভোলায় ধর্ষণের বিচার করবে বলে বিশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুই দালাল বেনাপোল সীমান্তে ফেনসিডিল ও ভারতীয় মালামালসহ আটক-১ কেশবপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে জন্মাষ্টামী পালিত বিমানের যাত্রীসেবার মান উন্নত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর বরিশালে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালিত নরসিংদীর মাধবদীতে ব্যবসায়ীদের সাথে নবাগত পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা শেরপুরে খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলেন ইউএনও বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়ন আ.মীলীগের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস পালিত শেরপুরে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল আদুরী, বরের জেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইতালির আনকোনা শহরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
হঠাৎ বৃষ্টিতে বরিশালে কৃষকের মুখে হাসি

হঠাৎ বৃষ্টিতে বরিশালে কৃষকের মুখে হাসি

খোকন হাওলাদারঃ বরিশালের হাওরগুলোতে পুরোদমে চলছে বোরো ফসল আবাদ। আর এজন্য কৃষককে তৈরি করতে হচ্ছে জমি। শুকনো জমিতে ফসল রোপন করার আগে জমি প্রস্তুত করতে হয়। জমি প্রস্তুত করতে হলে প্রয়োজন হয় প্রচুর পানি। কিন্তু শুকনো মৌসুম হওয়ার কারণে পানি পাওয়া যাচ্ছিল না। এ কারণে অনেক দূর থেকে মেশিনের মাধ্যমে পানি নিয়ে আসতে হতো কৃষককে। এসব কারণে ধান উৎপাদনে কৃষকের ব্যয় বাড়তে থাকে।

 

তাই এতোদিন পানির জন্য ছিল হাহাকার। বৃষ্টির খুব প্রয়োজন ছিল। বরিশালের কৃষক পরিবারগুলোর আকুতি ছিল যেন দ্রুত বৃষ্টি হয়। বৃষ্টি হলে শ্যালো মেশিন বা বৈদ্যুতিক পানির পাম্প দিয়ে আর পানি দিতে হয় না। এতে করে কৃষকের বেঁচে যাবে তেল ও বিদ্যুৎ খরচ। ব্যয় কমবে কাজের।

 

অবশেষে দেখা মিলেছে বৃষ্টির। আর এই বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে কৃষক পরিবারগুলোতে। গতকাল রবিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাত থেকে আজ সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) সকাল পর্যন্ত থেমে থেমে কয়েক দফায় বৃষ্টি হওয়াতে এবং সারাদিন মেঘলা আবহাওয়া থাকায় ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় মেশিন দিয়ে জমিতে পানি দিতে হয়নি কৃষকদের। এ জন্য শ্রম ও টাকা সাশ্রয় হচ্ছে তাদের।

 

বোরো ফসল ছাড়াও জেলায় এবার আউশ ধানের আবাদের প্রস্তুতি চলছে। তাই বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকের অনেক উপকার হবে। জমির মাটি নরম হবে। ধানের চারা লাগানোর জন্য দ্রুত জমি প্রস্তুত করা যাবে। কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় এ বছর ২ লক্ষ ১৯ হাজার হেক্টর বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

 

সদর উপজেলার কৃষকেরা জানান, ‘বৃষ্টি হওয়াতে আমাদের অনেক উপকার হয়েছে। জমি সহজে প্রস্তুত করতে পারব। কিছু জমিতে মেশিন দিয়ে পানি এনে যে ধান লাগিয়েছিলাম, সেগুলোও দ্রুত বাড়বে। সেচ দিতে হবে না।’

সবজি চাষীরা জানান, হঠাৎ বৃষ্টি হওয়াতে বৃষ্টি হওয়াতে সবজি গাছগুলো দ্রুত বাড়বে। আগাম ফলও হবে ভাল। কৃষির জন্য বৃষ্টি খুবই উপকারী। বৃষ্টি হলে সেচ দিতে হয় না। খরচ কম হয়। ভাল দামও পাওয়া যায়।

 

‘বৃষ্টিতে কৃষির কোনো প্রকার ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আমরা বিভিন্ন এলাকায় খোঁজখবর নিয়েছি। বরং অনেকদিন বৃষ্টি না হওয়া কৃষকরা অপেক্ষায় ছিল কখন বৃষ্টি হবে। এই সময়ে বৃষ্টি কৃষির জন্য উপকারী।’





©2018 Daily DeshKantho.com All rights reserved এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Design BY PopularHostBD