রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯, ০৮:০৬ অপরাহ্ন

আপডেট :
সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে- জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "দৈনিক দেশকন্ঠ" পত্রিকায় কিছু সংখ্যক সৎ, সাহসী নতুন তরুণ-তরুণীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা CV: info.deshkantho@gmail.com পাঠিয়ে যোগাযোগ করুন। মোবাঃ ০১৭৯৩৮৫৫০৬১★★★
শিরোনামঃ
আমাজনের আগুন নেভাতে বিমান ভাড়া করে পানি ঢালছে বলিভিয়া ১০ মিনিটের আবেগ ধুনটে জমি নিয়ে সহিংসতা, আহত ৭ বগুড়ায় ছিনতাই হওয়া গমের ট্রাক রাজশাহী থেকে উদ্ধার কেশবপুরে জন্মাষ্টামী উপলক্ষে শিশুদের গীতা পাঠ ও সংগীত প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ কেশবপুরে ৫শত শিশুর মাঝে গিফটবক্স বিতরণ ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১০, আহত-৩০ প্রবাসী মানেই একজন যোদ্ধা তাঁরা দেশের জন্য যুদ্ধ করে দেশকে তুলেছে একটি উন্নত শিল দেশে গোবিন্দগঞ্জে শ্রী কৃষ্ণের জন্মষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভা যাত্রা নিরাপত্তা কোথায়? দিরাই এডুকেশন ট্রাস্টের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত জামালপুরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ডিসি`র অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁস চাঁদপুরে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন: ৪ বখাটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কেশবপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সন্ত্রাসী হামলা, ২ গৃহবধূ আহত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে শক্ত অবস্থানে যাবে বাংলাদেশ
ভাবির কোলে চড়ে এইচএসসি পরীক্ষায় সাথী

ভাবির কোলে চড়ে এইচএসসি পরীক্ষায় সাথী

অনলাইন ডেস্কঃ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা কলেজে ভাবির কোলে চড়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিল প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সাথী খাতুন।

 

এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থী প্রতিবন্ধী সাথী খাতুনকে তার ভাবি রুনা খাতুন কোলে করে মঙ্গলবার বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় নিয়ে আসেন।

 

ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের গোলাপনগর এলাকার শাহানুর ইসলামের মেয়ে প্রতিবন্ধী সাথী খাতুন ভেড়ামারা আদর্শ কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন।

 

মঙ্গলবার ভেড়ামারা কলেজ কেন্দ্রে সাথী পরীক্ষা শেষে রুমে ভাবির জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। তখন সবার মধ্যে কৌতূহল শুরু হয়। পরে ভাবি রুনা খাতুন এসে কোলে করে সাথীকে নিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষক ও সাংবাদিকদের চোখে পড়ে সেই দৃশ্য।

 

পরীক্ষার্থী সাথী খাতুন বলেন, আমরা খুবই দরিদ্র। আমার বাবা একজন দিনমজুর। আমার বাবার পক্ষে আমাকে লেখাপড়া করানোসহ অন্যান্য চাহিদা পূরণ করানো সম্ভব না। অভাবের সংসারে আমি একজন প্রতিবন্ধী। হাঁটাচলা করতে পারি না। আমাকে ভাবিরা সবসময় সেবাযত্নসহ সার্বিক সহযোগিতা করে আসছেন। আমার ভাবিরা ছোটবেলা থেকে আমাকে স্কুল ও কলেজে নিয়ে আসে। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। মঙ্গলবার ভাবি রুনা খাতুনের কোলে করে এসে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি।

 

সাথী আরও বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নেব এবং একটি সরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা করব। সুযোগ পেলে উচ্চশিক্ষার দিকে অগ্রসর হব। তবে সেটার জন্য দরকার আর্থিক ও মানবিক সহযোগিতা। শিক্ষিত হয়ে দেশ ও নিজের উন্নতি করতে চাই।

 

সাথীর ভাবি রুনা খাতুন বলেন, তার এই অর্জনের পেছনে রয়েছে অদম্য ইচ্ছাশক্তি। আমি তাকে কোলে করে বাড়ি থেকে গোলাপনগর বাজারে নিয়ে আসি। সেখান থেকে যানবাহনে করে ভেড়ামারা কলেজে নিয়ে যাই। পরে ভেড়ামারা কলেজের সামনে থেকে সাথী খাতুনকে কোলে করে তার নির্দিষ্ট সিটে বসিয়ে দেই। সাথী পরীক্ষা দিতে থাকে আমি কলেজের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকি। তার পরীক্ষা শেষ হলে থাকে আবার কোলে করে বাড়িতে নিয়ে আসি। এটা আমার অভ্যাস হয়ে গেছে। এখন আর অসুবিধা হয় না। সাথী খুব ভালো মেয়ে। তাকে সহযোগিতা করলে সে অনেক দূর এগিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।





©2018 Daily DeshKantho.com All rights reserved এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Design BY PopularHostBD