রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

আপডেট :
সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে- জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "দৈনিক দেশকন্ঠ" পত্রিকায় কিছু সংখ্যক সৎ, সাহসী নতুন তরুণ-তরুণীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা CV: info.deshkantho@gmail.com পাঠিয়ে যোগাযোগ করুন। মোবাঃ ০১৭৯৩৮৫৫০৬১★★★
শিরোনামঃ
আমাজনের আগুন নেভাতে বিমান ভাড়া করে পানি ঢালছে বলিভিয়া ১০ মিনিটের আবেগ ধুনটে জমি নিয়ে সহিংসতা, আহত ৭ বগুড়ায় ছিনতাই হওয়া গমের ট্রাক রাজশাহী থেকে উদ্ধার কেশবপুরে জন্মাষ্টামী উপলক্ষে শিশুদের গীতা পাঠ ও সংগীত প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ কেশবপুরে ৫শত শিশুর মাঝে গিফটবক্স বিতরণ ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১০, আহত-৩০ প্রবাসী মানেই একজন যোদ্ধা তাঁরা দেশের জন্য যুদ্ধ করে দেশকে তুলেছে একটি উন্নত শিল দেশে গোবিন্দগঞ্জে শ্রী কৃষ্ণের জন্মষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভা যাত্রা নিরাপত্তা কোথায়? দিরাই এডুকেশন ট্রাস্টের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত জামালপুরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ডিসি`র অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁস চাঁদপুরে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন: ৪ বখাটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কেশবপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সন্ত্রাসী হামলা, ২ গৃহবধূ আহত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে শক্ত অবস্থানে যাবে বাংলাদেশ
সুনামগঞ্জে নিজ সন্তানকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা, প্রেমিক যুগলকে মৃত্যুদন্ড

সুনামগঞ্জে নিজ সন্তানকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা, প্রেমিক যুগলকে মৃত্যুদন্ড

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পরকীয়া সম্পর্কের কারনে ১১বছরের নিজ পূত্র সন্তানকে প্রেমিক দ্বারা শ্বাসরোদ্ধ করে হত্যার দায়ে প্রেমিক যুগলকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই দু’জনকে মৃত্যুদন্ডের রায় প্রদান করেন। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের আলকাছ আলীর ছেলে প্রেমিক বারিক মিয়া(৩৭) ও তার পরকীয়া প্রেমিকা সিতারা বেগম(৩৯)। এরমধ্যে প্রেমিক মোঃ বারিক মিয়া সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে অন্তরীন থাকলে হত্যাকান্ডের পর থেকে প্রেমিকা সিতারা বেগম পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,নিহত শিশু সোয়াইবুর রহমানের প্রবাসী পিতা রফিকুল ইসলাম প্রবাসে থাকার সুবাদে তার মা সিতারা বেগম তাদের বাড়ির কেয়ারটেকার মোঃ বারিক মিয়ার সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলেন। স্বামী বিদেশ যাবার আগে মোঃ বারিক মিয়াকে তাদের পরিবারের দেখাশোনা ও হাটবাজারের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন মোঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি বিদেশে চলে যাওয়ার পর থেকে কেয়ারটেকার মোঃ বারিক মিয়ার সাথে সিতারা বেগমের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রায় সময়ই বারিক মিয়া সিতারা বেগমের ঘরে রাত্রিযাপন করতেন বলে বিষয়টি এলাকার লোকজনের মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে কেয়ারটেকার বারিক মিয়ার সাথে তার মা সিতারা বেগমের অবৈধ্য সম্পর্ক ও প্রনয়ের বিষয়টি নিজ শিশু সন্তান সুয়াইবুর রহমান নিজ চোখে দেখে ঘটনাটি তার প্রবাসী পিতা রফিকুল ইসলামকে জানানোর চেষ্টা করছিল। এমন খবরে তার মা সিতারা বেগম তার প্রেমিক মোঃ বারিক মিয়াকে সন্তানের পরকীয়ার বিষয়টি অবহিত করলে প্রেমিক যুগল মিলে শিশুটিকে হত্যার পরিকল্পনা গ্রহন করেন। এরই অংশ হিসেবে ২০১২ সালের ১৪ই অক্টোবর বিকেলে একই গ্রামের আরেক শিশু আসামী সাবুল মিয়াকে দিয়ে সিতারার সন্তান শিশু সোয়াইবুর রহমানকে ফুসলিয়ে স্থানীয় চিতুলিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নিয়ে যায়। সন্ধ্যার পর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত প্রেমিক যুগল মিলে ঐ মাদ্রাসার টয়লেটের কাছে গিয়ে শিশু সোয়াইবুর রহমানের মুখে ও গলায় চেপে ধরে শ্বাসরোদ্ধ করে হত্যা করে। পরে শিশু সোয়াইবুর রহমানের লাশ গুম করতে ঐ টয়লেটের ট্যাংকিতে ফেলে রেখে যায় ।

এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই মোঃ হান্নান মিয়া নিজে বাদি হয়ে গত ২০১২ সালের ১৫ই অক্টোবর প্রেমিক যুগল মোঃ বরিক মিয়া , সিতারা বেগম ও সেবুল মিয়া তিনজনকে আসামী করে জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ প্রেমিক বারিক মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও প্রেমিকা সিতারা বেগম ও সেবুল মিয়া এখনো পলাতক রয়েছেন। দীর্ঘদিন বিচার কার্য পর্যালোচনা শেষে হত্যাকান্ডের ঘটনাটি প্রমাণিত হওয়ায় সুনামগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত দায়রা জজ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ্ আলোচিত হত্যাকান্ডের রায়টি প্রদান করেন।

এদিকে বাদি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এড.জিয়াউল ইসলাম ও আসামী পক্ষে এড. বোরহান উদ্দিন ও এড. আব্দুল ওদুদ।





©2018 Daily DeshKantho.com All rights reserved এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Design BY PopularHostBD