রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯, ০৭:২০ অপরাহ্ন

আপডেট :
সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে- জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "দৈনিক দেশকন্ঠ" পত্রিকায় কিছু সংখ্যক সৎ, সাহসী নতুন তরুণ-তরুণীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা CV: info.deshkantho@gmail.com পাঠিয়ে যোগাযোগ করুন। মোবাঃ ০১৭৯৩৮৫৫০৬১★★★
শিরোনামঃ
আমাজনের আগুন নেভাতে বিমান ভাড়া করে পানি ঢালছে বলিভিয়া ১০ মিনিটের আবেগ ধুনটে জমি নিয়ে সহিংসতা, আহত ৭ বগুড়ায় ছিনতাই হওয়া গমের ট্রাক রাজশাহী থেকে উদ্ধার কেশবপুরে জন্মাষ্টামী উপলক্ষে শিশুদের গীতা পাঠ ও সংগীত প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ কেশবপুরে ৫শত শিশুর মাঝে গিফটবক্স বিতরণ ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১০, আহত-৩০ প্রবাসী মানেই একজন যোদ্ধা তাঁরা দেশের জন্য যুদ্ধ করে দেশকে তুলেছে একটি উন্নত শিল দেশে গোবিন্দগঞ্জে শ্রী কৃষ্ণের জন্মষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভা যাত্রা নিরাপত্তা কোথায়? দিরাই এডুকেশন ট্রাস্টের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত জামালপুরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ডিসি`র অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁস চাঁদপুরে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন: ৪ বখাটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কেশবপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সন্ত্রাসী হামলা, ২ গৃহবধূ আহত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে শক্ত অবস্থানে যাবে বাংলাদেশ
কঠোর আন্দোলনে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল

কঠোর আন্দোলনে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্কঃ গণতন্ত্রকে বিসর্জন দিয়ে সরকার ‘একদলীয় ব্যবস্থা’ পুনঃপ্রবর্তনের চক্রান্ত করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 

তিনি বলেন, বারবার বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু সব বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে বিএনপি ঠিকই উঠে দাঁড়িয়েছে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে, গণতন্ত্রকে মুক্ত করে বিএনপি আবার উঠে দাঁড়াতে সক্ষম হবে- এটা আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি। আজ দেশনেত্রীর মুক্তিই আমাদের কাছে প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য। এজন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলনে যেতে হবে।

 

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

 

‘খালেদা জিয়ার অবৈধ সাজা বাতিল ও নিঃশর্ত মুক্তি এবং তারেক রহমানের সাজা বাতিল ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে’ সমাবেশের আয়োজন করে ‘নব্বইয়ের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য’।

 

সরকার ‘একদলীয় ব্যবস্থা’ পুনঃপ্রবর্তনের চক্রান্ত করছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আজ দেশে যে সংকট, তা শুধু বিএনপির সংকট নয়। আজ এ সংকট এত গভীর যে এটা জাতির সংকট। এটা রাষ্ট্রের সংকট। কারণ এ রাষ্ট্র থেকে চিরতরে গণতন্ত্রকে বিসর্জন দেয়ার আয়োজন প্রায় সম্পন্ন হয়ে গেছে। এটাকে একটা একদলীয় শাসনব্যবস্থায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সব চক্রান্ত প্রায় সম্পন্ন। এখন বাংলাদেশের মানুষ পুরোপুরি একটা আবদ্ধ কারাগারের মধ্যে রয়েছে।

 

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আমাদের নেতাদের সবার পবিত্র দায়িত্ব হচ্ছে, সব ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে হবে। গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনার জন্য জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামতে হবে।

 

তিনি বলেন, গণবিচ্ছিন্ন হয়ে কখনও কোনো আন্দোলন সফল করা যায় না। সেজন্য জনগণকে সম্পৃক্ত করার জন্য আমাদের সব কৌশল করে নিতে হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব আশাবাদী মানুষ। আমি মনে করি, কখনও অন্যায়ের কাছে ন্যায়ের পরাজয় হতে পারে না। যেটা হয়, সেটা সাময়িক হতে পারে। অবশ্যই ন্যায়ের জয় হবেই, সত্যের জয় হবেই।

 

বিএনপির পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অত্যন্ত সঠিকভাবেই আমাদের অঙ্গসংগঠনগুলোকে পুনর্গঠিত করার কাজ শুরু করেছেন। সক্রিয় করার কাজ শুরু করেছেন। বিএনপির সাংগঠনিক জেলাগুলোকে সক্রিয় করার কাজ শুরু করেছেন। আমার বিশ্বাস, অতি অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের এ সংগঠন আবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম হবেই। অনেক ঝড় গেছে, অনেক ঝঞ্চা গেছে, অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, তার মধ্যেও বিএনপি উঠে দাঁড়িয়েছে সবসময়। তিনি বলেন, অনেকে হতাশায় ভোগেন। হতাশায় ভোগলে বিজয় অর্জন করা সম্ভব নয়। বিএনপি সেই দল, যে দলের রাজনীতি হচ্ছে এ দেশের জনগণের রাজনীতি। এদেশের মানুষ হচ্ছে বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি। এ শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মিডিয়া এখন নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া। আপনারা লক্ষ করে দেখবেন যে, বিরোধী দলের খবর এখন সবচেয়ে কম ছাপা হয়- তৃতীয় কিংবা চতুর্থ পৃষ্ঠায়। ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কয়েক সেকেন্ড খবর দেয়া হয়। কারণটা কী? মিডিয়া হচ্ছে একটা বড় মাধ্যম, যে মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছানো যায়। সে কারণে এই সরকারের অপচেষ্টা হচ্ছে, যারা জনগণের শক্তি নিয়ে এগোতে চায়, তাদের বিভ্রান্ত করা। আজ আমাদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বিভিন্নভাবে।

 

দলের চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবি জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেন, দেশনেত্রীর মুক্তির জন্য প্রয়োজনবোধে আমরা স্বেচ্ছায় কারাবরণ করব। স্বেচ্ছায় কারাবরণ করে হয় আমরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব, নইলে সবাই জেলে থাকব- এটাই আজ আমাদের শপথ হোক।

 

কারাগারে দীর্ঘদিন আটক আবদুস সালাম পিন্টু, লুৎফুজ্জামান বাবর, গিয়াস কাদের চৌধুরী, আসলাম চৌধুরী, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ফজলুল হক মিলন, মীর সরাফাত আলী সপু, শহিদুল ইসলাম বাবুল, শেখ শামীম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ইসহাক সরকার, মামুনুর রশীদসহ সব নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিও জানান তিনি। এবিএম মোশাররফ হোসেনের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন শামসুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান রিপন, খায়রুল কবির খোকন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, খন্দকার লুৎফর রহমান, আসাদুর রহমান খান, শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কামরুজ্জামান রতন, হাবিবুল ইসলাম হাবিব, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, এজমল হোসেন পাইলট প্রমুখ।





©2018 Daily DeshKantho.com All rights reserved এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Design BY PopularHostBD