রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৯, ০৭:৪০ অপরাহ্ন

আপডেট :
সারাদেশব্যাপী সাংবাদিক নিয়োগ দিচ্ছে- জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল "দৈনিক দেশকন্ঠ" পত্রিকায় কিছু সংখ্যক সৎ, সাহসী নতুন তরুণ-তরুণীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা CV: info.deshkantho@gmail.com পাঠিয়ে যোগাযোগ করুন। মোবাঃ ০১৭৯৩৮৫৫০৬১★★★
শিরোনামঃ
আমাজনের আগুন নেভাতে বিমান ভাড়া করে পানি ঢালছে বলিভিয়া ১০ মিনিটের আবেগ ধুনটে জমি নিয়ে সহিংসতা, আহত ৭ বগুড়ায় ছিনতাই হওয়া গমের ট্রাক রাজশাহী থেকে উদ্ধার কেশবপুরে জন্মাষ্টামী উপলক্ষে শিশুদের গীতা পাঠ ও সংগীত প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ কেশবপুরে ৫শত শিশুর মাঝে গিফটবক্স বিতরণ ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১০, আহত-৩০ প্রবাসী মানেই একজন যোদ্ধা তাঁরা দেশের জন্য যুদ্ধ করে দেশকে তুলেছে একটি উন্নত শিল দেশে গোবিন্দগঞ্জে শ্রী কৃষ্ণের জন্মষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভা যাত্রা নিরাপত্তা কোথায়? দিরাই এডুকেশন ট্রাস্টের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত জামালপুরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ডিসি`র অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁস চাঁদপুরে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন: ৪ বখাটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কেশবপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সন্ত্রাসী হামলা, ২ গৃহবধূ আহত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে শক্ত অবস্থানে যাবে বাংলাদেশ
জগন্নাথপুরে শিশু হত্যার দায়ে মা,সহ প্রেমিকের মৃত্যুদন্ড

জগন্নাথপুরে শিশু হত্যার দায়ে মা,সহ প্রেমিকের মৃত্যুদন্ড

জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় এক শিশু সোয়াইবুর রহমান (১১) হত্যা মামলায় তার মা সিতারা বেগম (৩৭) ও তার কথিত প্রেমিক বারিক মিয়া (৩৫) কে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত বারিক মিয়া জগন্নাথপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের আলকাছ আলীর ছেলে ও ঘাতক মা সিতারা বেগম একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী রফিকুল ইসলামের স্ত্রী।

 

গত (২ এপ্রিল) মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুল­াহ আল মামুন এ আদেশ প্রদান করেন।

মামলার এজাহার স‚ত্রে জানা যায়, সিতারা বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলাম প্রায় ১৫ বছর ধরে সৌদি আরবে শ্রমিকের কাজ করছেন। এ সুযোগে তার স্ত্রী সিতারা বেগম একই গ্রামের আলকাছ আলীর ছেলে বারিক মিয়ার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ২০১৪ সালের ১৪ আক্টোবর সিতারা বেগমকে কথিত প্রেমিক বারিকের সঙ্গে অনৈতিক অবস্থায় দেখে ফেলে সিতারা বেগমের শিশু ছেলে সোয়াইবুর রহমান। শিশুটি এ ঘটনা তার বাবার কাছে বলে দেবে এমন কথা বললে তার মা বিষয়টি প্রেমিক বারিক মিয়াকে জানায়।

এর প্রেক্ষিতে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের কিশোর ছেলে সাবুল মিয়াকে দিয়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় শিশু সোয়াইবুরকে খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের হাফিজিয়া মাদ্রাসার কাছে নিয়ে যায়। পরে শিশু সোয়াইবুরকে মা সিতারা ও মায়ের প্রেমিক বারিক মিলে গলা টিপে হত্যা করে মাদ্রাসার টয়লেটের ট্যাংকিতে ফেলে দেয়। এরপর স্বজনরা শিশুটিকে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করে মাদ্রাসার টয়লেটের ট্যাংকিতে তার মরদেহ দেখতে পান।

খবর পেয়ে পুলিশ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন ১৫ অক্টোবর শিশু সোয়াইবুরের চাচাত ভাই বাদী হয়ে ঘাতক মা সিতারা বেগম, প্রেমিক বারিক ও কিশোর সাবুলকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে গত (২ এপ্রিল) মঙ্গলবার আদালত ঘাতক মা সিতারা বেগম ও তার প্রেমিক বারিক মিয়াকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন। আসামী বারিককে কারাগারে প্রেরণ করা হয় এবং ঘাতক সিতারা বেগম পলাতক থাকায় তাকে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়, একই সাথে দ্রæত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়।

অপর আসামী সাবুল কিশোর হওয়ায় তার বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চলছে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট সোহেল আহমেদ ছইল মিয়া ও জিয়াউল ইসলাম। আসামী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন।#

 

ছেলে সোয়াইবুর রহমান (১১) হত্যা মামলায় তার মা সিতারা বেগম (৩৭) ও তার কথিত প্রেমিক বারিক মিয়া (৩৫) কে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত বারিক মিয়া জগন্নাথপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের আলকাছ আলীর ছেলে ও ঘাতক মা সিতারা বেগম একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী রফিকুল ইসলামের স্ত্রী।

গত (২ এপ্রিল) মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আবদুল­াহ আল মামুন এ আদেশ প্রদান করেন।

মামলার এজাহার স‚ত্রে জানা যায়, সিতারা বেগমের স্বামী রফিকুল ইসলাম প্রায় ১৫ বছর ধরে সৌদি আরবে শ্রমিকের কাজ করছেন। এ সুযোগে তার স্ত্রী সিতারা বেগম একই গ্রামের আলকাছ আলীর ছেলে বারিক মিয়ার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ২০১৪ সালের ১৪ আক্টোবর সিতারা বেগমকে কথিত প্রেমিক বারিকের সঙ্গে অনৈতিক অবস্থায় দেখে ফেলে সিতারা বেগমের শিশু ছেলে সোয়াইবুর রহমান। শিশুটি এ ঘটনা তার বাবার কাছে বলে দেবে এমন কথা বললে তার মা বিষয়টি প্রেমিক বারিক মিয়াকে জানায়।

এর প্রেক্ষিতে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের কিশোর ছেলে সাবুল মিয়াকে দিয়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় শিশু সোয়াইবুরকে খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের হাফিজিয়া মাদ্রাসার কাছে নিয়ে যায়। পরে শিশু সোয়াইবুরকে মা সিতারা ও মায়ের প্রেমিক বারিক মিলে গলা টিপে হত্যা করে মাদ্রাসার টয়লেটের ট্যাংকিতে ফেলে দেয়। এরপর স্বজনরা শিশুটিকে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করে মাদ্রাসার টয়লেটের ট্যাংকিতে তার মরদেহ দেখতে পান।

খবর পেয়ে পুলিশ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। পরদিন ১৫ অক্টোবর শিশু সোয়াইবুরের চাচাত ভাই বাদী হয়ে ঘাতক মা সিতারা বেগম, প্রেমিক বারিক ও কিশোর সাবুলকে আসামি করে জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে গত (২ এপ্রিল) মঙ্গলবার আদালত ঘাতক মা সিতারা বেগম ও তার প্রেমিক বারিক মিয়াকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন। আসামী বারিককে কারাগারে প্রেরণ করা হয় এবং ঘাতক সিতারা বেগম পলাতক থাকায় তাকে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়, একই সাথে দ্রæত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়।

অপর আসামী সাবুল কিশোর হওয়ায় তার বিচার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চলছে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট সোহেল আহমেদ ছইল মিয়া ও জিয়াউল ইসলাম। আসামী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন।





©2018 Daily DeshKantho.com All rights reserved এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Design BY PopularHostBD