আজ ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং

জীবনের কিছু কথা… (পর্ব-১)

জীবনের কিছু কথা… (পর্ব-১)

-মোঃ ফিরোজ খান


মহান আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া আদায় করছি এই ভেবে যে তিনি আমাকে তার শ্রেষ্ঠ কূলের সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন শ্রেষ্ঠ কিতাব কুরআন শরীফের মধ্যে ।আমি আরো শুকরিয়া আদায় করছি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হয়ে এই পৃথিবীর আলো দেখতে পেরেছি বলে।দশ মাস দশদিন মায়ের পেটে থাকার পরেই এই সুন্দর পৃথিবীর মুখ দেখতে পেরেছি।আমার জন্ম ১৯৮০ সালের ২৮ শে ডিসেম্বর।ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকার মধ্য কুনিপাড়া (খানের মাঠ)নামে এক টিনসেড বাড়িতে।

বয়স যখন ৬ বছর তখনই মা-বাবা আমাকে দাদার সঙ্গে আমার গ্ৰামের বাড়ি বরিশাল পাঠিয়ে দেন।শ্রদ্ধাভাজন(দাদুভাই)যিনি পরলোক গমন করেছেন অনেক আগেই(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহির রাজিউন) সেই দাদুভাই আমাকে গ্ৰামের স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন প্রথম শ্রেণীতে।ধীরে ধীরে সবুজের সমারোহে মায়ের মাতৃভূমির বুকে বড় হতে থাকি হেসে খেলে।সত্যিই সেই স্মৃতির কথা বর্তমানে শুধুমাত্র দুচোখ দিয়ে জল ঝড়াবে।তবুও সেই সুখ-দুখের জীবন বড়ই ভালো ছিলো বর্তমান সময়ের ইট পাথরের চার দেওয়ালে বন্দী থাকা জীবনের চেয়ে।

গ্ৰামের পাশ ঘেঁষে বয়ে গিয়েছে বরিশালের চিরচেনা সন্ধ্যা নদী।বিকেলে নদীর পারে গিয়ে বসে থাকতে খুবই ভালো লাগতো, আরো ভালো লাগতো মৃদু মৃদু শীতল হাওয়া।মনকে করে দিতো শান্ত।আজও মনে পরে সেই সুন্দর সুখের দিনের স্মৃতির কথামালা।বড় বড় দালাল কোঠা জীবনের জন্য বিলাসিতা ও সন্মান মর্যাদা বাড়িয়ে দিতে পারে কিন্তু ঐ গ্ৰামের বাড়িতে কুড়ে ঘরের মধ্যে যেই সুখ-শান্তি তা কখনও দিতে পারবেনা।ভোরে উঠে ফজরের নামাজ আদায় করে একটু সবুজ ঘাসের মধ্যে হাটাহাটি করা কতোটা শান্তির তা এই শহরের জীবনে কখনও ভাবাই যায়না।

(চলবে…)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর
%d bloggers like this: